Biswa Seba Shram Sangha | বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘ ও বিশ্বমাতা মন্দিরে শারদোৎসবের প্রস্তুতি

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে বিশেষ আয়োজনের প্রস্তুতি বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘ ও বিশ্বমাতা মন্দিরে। ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্মীয় রীতিনীতির মেলবন্ধনে দুর্গাপুজোর দিনগুলিকে স্মরণীয় করে তুলতে সাজিয়ে তোলা হয়েছে পুজোর কর্মসূচি। উৎসবের আবহে ভক্তদের জন্য থাকছে দেবী আরাধনা, অঞ্জলি, নবপত্রিকা প্রবেশ এবং কুমারীপুজোর মতো বিশেষ ধর্মীয় আচার।

প্রকাশিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর মহাসপ্তমী দিয়ে শুরু হচ্ছে পুজোর বিশেষ পর্ব। ওই দিন সকালে নবপত্রিকা প্রবেশ ও সপ্তমীর পুজোর আয়োজন রয়েছে। ১৮ অক্টোবর মহাষ্টমী উপলক্ষে পুজোর পাশাপাশি থাকছে বিশেষ অঞ্জলি ও সন্ধিপুজো। এই দিনের অন্যতম আকর্ষণ কুমারীপুজো, যেখানে সনাতন ধর্মীয় পরম্পরা অনুসারে কন্যার মধ্যে দেবীশক্তির প্রতীকী আরাধনা করা হবে।

২০ অক্টোবর মহানবমী তিথিতে সকাল থেকেই চলবে পুজো ও নবমীসংক্রান্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এরপর ২১ অক্টোবর বিজয়াদশমী উপলক্ষে দেবীকে প্রণাম জানিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের কর্মসূচি রয়েছে। প্রকাশিত সূচিতে প্রতিমা বরণের সময় বিকেল ৪টে থেকে নির্ধারিত হয়েছে। ভক্তদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনেই সম্পন্ন হবে উৎসবের সমাপনী পর্ব।

বিশ্বমাতা মন্দিরে আধ্যাত্মিকতার আবহ

বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘ ও বিশ্বমাতা মন্দিরের এই দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দেবী দুর্গার আরাধনার পাশাপাশি পুজোর বিভিন্ন আচার ধর্মীয় ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক চেতনার বার্তা বহন করবে। বিশেষত কুমারীপুজোর মধ্য দিয়ে নারীশক্তির প্রতি শ্রদ্ধা এবং মাতৃরূপে দেবীকে উপলব্ধি করার ভাবনা গুরুত্ব পাবে।

পুজো উপলক্ষে সকল ভক্ত ও দর্শনার্থীকে আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজক সংস্থা। পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে দেবী দর্শন ও পুজোর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

উৎসবের দিনগুলিতে ভক্তি, প্রার্থনা ও মিলনের আবহে বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘ ও বিশ্বমাতা মন্দিরের দুর্গোৎসব হয়ে উঠুক সকলের কাছে আনন্দ ও আধ্যাত্মিকতার এক বিশেষ উপলক্ষ।