বারাসাত: উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার ছেলের দেহ নিতে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পৌঁছন তাঁর বাবা। অন্যদিকে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে।
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, তিন চিকিৎসকের একটি বিশেষজ্ঞ দল প্রহ্লাদের দেহের ময়নাতদন্ত করবে। এই ঘটনায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রহ্লাদকে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পাল্টা গুলিতে আহত হওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। তবে পুলিশের এই দাবি ঘিরে নানা প্রশ্নও উঠেছে। ঘটনার পরিস্থিতি ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠছে বিভিন্ন মহলে।
উল্লেখ্য, গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের পর ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে প্রহ্লাদকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁর মৃত্যুর পর এখন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পরবর্তী তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।
