নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। দুই কেন্দ্রেই সকাল থেকে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ চোখে পড়ে। নির্ধারিত সময়ে অধিকাংশ বুথে ভোটগ্রহণ শেষ হয় এবং ভোটদানের হারও ছিল উল্লেখযোগ্য। নন্দীগ্রামে প্রায় ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে প্রায় ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য সামনে এসেছে।
তবে ভোটগ্রহণের দিন সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন ছিল না। বিভিন্ন এলাকায় বিরোধী দলের এজেন্টদের নিয়ে অভিযোগ, বিক্ষিপ্ত অশান্তি এবং রাজনৈতিক চাপানউতোরের খবর সামনে আসে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং ভোট প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।
উপনির্বাচনের আবহে বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে আসে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে ঘটনাপ্রবাহ। ভোটের দিন পুলিশ ও তাঁর মধ্যে বচসার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। পরে তাঁকে ঘিরে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
এদিকে নন্দীগ্রামে ভোট প্রদান শেষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আইনভঙ্গের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাশাপাশি উপনির্বাচনের ফল নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব আত্মবিশ্বাসী বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ভোটদানের হার এবং রাজনৈতিক তৎপরতা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। এখন সকলের নজর ফলাফল ঘোষণার দিকে, যা আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
