HUMAYUN KABIR : হুমায়ুন কবীর গ্রে*প্তার কী বললেন বিজেপি প্রার্থী শাঁখারভ সরকার?

হুমায়ুন কবীরের গ্রেপ্তারি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাঁখারভ সরকার। তাঁর অভিযোগ, ভোটকে কেন্দ্র করে এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

হুমায়ুন কবীরকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে শাঁখারভ সরকার বলেন, কয়েকদিন আগেই হুমায়ুন কবীর ভোটের দিন একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করে মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি, “ভোটের দিন ১০টা লাশ পড়বে”—এই ধরনের মন্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে এবং নির্বাচনের পরিবেশকে অশান্ত করে তুলতে পারে।

বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, এমন মন্তব্যের মাধ্যমে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছিল। তাঁর বক্তব্য, হুমায়ুন কবীরের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং তিনি এলাকায় দাঙ্গা বা সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

শাঁখারভ সরকারের আরও দাবি, পুলিশি কর্তব্য পালনের সময় পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশের সঙ্গে গালিগালাজ ও অসহযোগিতার পরিপ্রেক্ষিতেই হুমায়ুন কবীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনী নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের গ্রেপ্তারের পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে কি না।

রেজিনগর-সহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভোটের পরিবেশ যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে, সেই বিষয়টিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যের জেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে কোনও ধরনের আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি না ছড়ায়, সে বিষয়েও সতর্ক প্রশাসন।

শাঁখারভ সরকারের বক্তব্য, নির্বাচনে মতের পার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু ভোটের সময় হিংসা বা প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি করে এমন কোনও বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থে প্রশাসনকে আরও কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

হুমায়ুন কবীরের গ্রেপ্তারিকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা এখন কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। একইসঙ্গে ভোটের আগে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

Exit mobile version