Ashoknagar : পুজোর চাঁদা ৫০ হাজার টাকা! না দেওয়ায় মারধরের অভিযোগ অশোকনগরে

চাঁদা চাওয়া নিয়ে অশান্তির অভিযোগ, অশোকনগরে আতঙ্কে পরিবার

দুর্গাপুজোর চাঁদা চাওয়াকে কেন্দ্র করে অশান্তির অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে। বিজয়া ফার্মেসি এলাকার একটি পরিবার অভিযোগ করেছে, পুজোর জন্য ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। সেই টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করেই তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, হুমকি ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। অভিযোগের তির কল্যাণগড় এলাকার সুহৃদয় সংঘের পুজো কমিটির কয়েকজনের দিকে।

অভিযোগকারী সরিতা চ্যাটার্জির বক্তব্য অনুযায়ী, ক্লাবের কাছেই তাঁদের বাড়ি। তাঁর বাবা বাড়িটি তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেখানেই স্বামী দীপেন্দু আচার্যকে নিয়ে বসবাস করেন তিনি। কয়েক দিন আগে পুজোর চাঁদা চাওয়ার জন্য ক্লাবের পুজো কমিটির সভাপতি বাবলি ভদ্র-সহ কয়েকজন তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন বলে অভিযোগ।

পরিবারের দাবি, দুর্গাপুজোর চাঁদা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁদের ক্লাবে গিয়ে দেখা করতেও বলা হয়। এরপর শুক্রবার দুপুরে বাবলি ভদ্র ও গোবিন্দ দাস নামে দু’জন ফের তাঁদের বাড়িতে আসেন বলে অভিযোগ। সেই সময় সরিতা চ্যাটার্জি ও তাঁর স্বামীর সঙ্গে বচসা এবং দুর্ব্যবহার করা হয় বলে দাবি পরিবারের।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার ছবি মোবাইল ফোনে রেকর্ড করতে গেলে দীপেন্দু আচার্যকে মারধর করা হয় এবং তাঁর ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে। এই ধাক্কাধাক্কির মধ্যে তাঁদের দুই বছরের অসুস্থ শিশুটিও পড়ে যায় বলে জানিয়েছেন সরিতা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার অশোকনগর থানায় এই ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তাঁদের আশ্বস্ত করেছে বলেও দাবি অভিযোগকারীদের।

অন্যদিকে, পুজো কমিটির সভাপতি বাবলি ভদ্র অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ক্লাব সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল, তারই প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তাঁরা। ৫০ হাজার টাকা চাওয়ার অভিযোগও তিনি মানতে চাননি।

ঘটনায় দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট বিরোধ রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ। পুজোর আনন্দের আবহে এই ধরনের অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টিকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা জরুরি।

Exit mobile version