মাওবাদী আত্মসমর্পণ, পুজোর বিসর্জন ও চোরবাগানকাণ্ডের তদন্ত—একাধিক বিষয়ে বক্তব্য রাখলেন নগরপাল অজয় নন্দ।
মাওবাদী কার্যকলাপ ছেড়ে মূলস্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাওবাদী গোষ্ঠীর দুই সক্রিয় সদস্য মঙ্গল ও মালতি। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁরা ঝাড়খণ্ড থেকে এসে ঝাড়গ্রাম এলাকায় কাজ করতেন। পরবর্তী সময়ে সারাংদা ও আকাশদের সঙ্গে যুক্ত হন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারির পর তাঁরা ওই এলাকা ছেড়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন। মঙ্গলের বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ টাকা এবং মালতির বিরুদ্ধে ২ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, পুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মীয় রীতিনীতি বা প্রচলিত প্রথার বাইরে কোনও সমস্যা হয়েছিল কি না, সেই প্রসঙ্গে নগরপাল জানান, সাধারণত পুজো কমিটিগুলিই বিসর্জনের আয়োজন ও পরিচালনা করে। এই ক্ষেত্রে পুলিশের সরাসরি ভূমিকা থাকে না। তবে বিসর্জনকে কেন্দ্র করে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকলে বা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের হলে, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, চোরবাগান সংক্রান্ত বিষয়েও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন নগরপাল। তাঁর কথায়, এই ঘটনায় একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন এক প্রাক্তন বিচারপতি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নগরপালের বক্তব্যে স্পষ্ট, সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলির ক্ষেত্রে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতির দিকেই এখন নজর রয়েছে।
