মায়ের বিদায়বেলায় আবেগ আর উৎসবের রঙে রাঙল বাগবাজার
দুর্গাপুজোর শেষলগ্নে সিঁদুর খেলার আনন্দে মাতল কলকাতা থেকে বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত। শহর থেকে গ্রাম, বারোয়ারি পুজো থেকে বনেদি বাড়ি—সর্বত্রই দশমীর চেনা আবেগ আর উৎসবের রঙে মেতে উঠলেন মহিলারা। সিঁদুরের লাল রঙে মায়ের বরণ, একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে শুভকামনা বিনিময় এবং আগামী বছরের অপেক্ষায় বিজয়ার মুহূর্ত হয়ে উঠল আরও আবেগঘন।
এই উৎসবের আবহে উত্তর কলকাতার বাগবাজারেও সিঁদুর খেলায় অংশ নিলেন বাংলার চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী পায়েল। উৎসবের আনন্দে সামিল হয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর এই বিশেষ মুহূর্তে তিনিও ভাগ করে নিলেন বাঙালির চিরাচরিত বিজয়া দশমীর আবেগ।
সিঁদুর খেলা শুধু একটি রীতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং আগামী দিনের মঙ্গলকামনা। ঢাকের শব্দ, উলুধ্বনি আর সিঁদুরের লাল আভায় মুখরিত হয়ে উঠল পুজোমণ্ডপগুলি। আনন্দের মাঝেও মাকে বিদায় জানানোর বিষণ্ণতা ছুঁয়ে গেল উপস্থিত সকলকে।
আবার একটি বছরের অপেক্ষা। উমা ফিরে যাবেন কৈলাসে, আর বাঙালির মনে রয়ে যাবে পুজোর স্মৃতি, আনন্দ এবং আগামী শরতে মায়ের আগমনের প্রতীক্ষা।
শুভ বিজয়া!
