‘বিশ্ব শান্তির আলোকে রবীন্দ্রনাথ’—এই বিষয়কে সামনে রেখে আয়োজিত হল বিশেষ আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানের সূচনায় পূজ্য শ্রীসমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী উপস্থিত থেকে আলোচনার সূচনা করেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য, দর্শন ও মানবতাবাদী চিন্তার মধ্য দিয়ে কীভাবে শান্তি, সম্প্রীতি এবং বিশ্বভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে, সেই বিষয়গুলিই আলোচনায় গুরুত্ব পায়। জাতি, ধর্ম ও ভৌগোলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়ার যে ভাবনা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিতে বারবার ফুটে উঠেছে, তা নিয়েও অনুষ্ঠানে আলোচনা হয়।
আয়োজকদের বক্তব্য, বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও বিভাজনের পরিস্থিতিতে রবীন্দ্রনাথের শান্তি ও মানবতার দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। তাঁর চিন্তাভাবনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সমাজে সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানের সূচনাপর্বে বিশিষ্ট অতিথিদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্র-ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সংস্কৃতি, মানবতা ও শান্তির বার্তাকে কেন্দ্র করে এই আলোচনা সভা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করে।
